Home / সর্বশেষ / গত ১৫ বছরে টি-২০তে যা করতে পারেনি বাংলাদেশ, তা মাত্র ১ দিনে করে দেখাল নমবিয়া

গত ১৫ বছরে টি-২০তে যা করতে পারেনি বাংলাদেশ, তা মাত্র ১ দিনে করে দেখাল নমবিয়া

নামিবিয়ার অপ্রত্যাশিত জয়ে আরও মুখ পুড়ল বাংলাদেশের। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পূর্ণ সদস্যের দেশের বিরুদ্ধে জয়ের নিরিখে বাংলাদেশকে ছাপিয়ে গেল ‘লিলিপুট’ নামিবিয়াও। অথচ এখনও পর্যন্ত সব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই খেলেছে বাংলাদেশ।

রবিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির পূর্ণ সদস্যের দেশ শ্রীলঙ্কাকে ৫৫ রানে হারিয়ে দিয়েছে নামিবিয়া। গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডকেও হারিয়েছিল আফ্রিকার দেশটি।

যে আয়ারল্যান্ড ২০১৭ সালে আইসিসির পূর্ণ সদস্যের তকমা পেয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে পূর্ণ সদস্যের দেশের বিরুদ্ধে মাত্র একটি ম্যাচে জিতেছে বাংলাদেশ – সেটাও ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।

২০০৭ সালের বিশ্বকাপ: প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ছয় উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তারপর বাকি টুর্নামেন্টে হতাশাজনক ফল করেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা (সাত উইকেটে হার), অস্ট্রেলিয়া (নয় উইকেটে হার), শ্রীলঙ্কা (৬৪ রানে হার) এবং পাকিস্তানের (চার উইকেটে হার) কাছে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

২০০৯ সালের বিশ্বকাপ: দুটি ম্যাচেই হেরেছিল বাংলাদেশ। ভারত জিতেছিল ২৫ রানে। আয়ারল্যান্ডের কাছে ছয় উইকেটে হারতে হয়েছিল টাইগারদের।

২০১০ সালের বিশ্বকাপ: ২০১০ সালেও বাংলাদেশের ব্যর্থতার ছবিটা পালটায়নি। একটিও জয়ের মুখ না দেখে বিমান ধরতে হয়েছিল। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেরেছিল ২১ রানে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২৭ রানে হেরে গিয়েছিল।

২০১২ সালের বিশ্বকাপ: টানা তিনটি বিশ্বকাপে একটি ম্যাচেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ড উড়িয়ে দিয়েছিল ৫৯ রানে। ছেলেখেলা করেছিল পাকিস্তানও। আট উইকেটে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপ: দেশের মাটিতেও বিশ্বকাপে তেমন সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। প্রথম দুটি ম্যাচে জিতেছিলেন টাইগাররা। আফগানিস্তানকে নয় উইকেটে এবং নেপালকে আট উইকেটে হারিয়েছিল। তবে নেপাল আইসিসি পূর্ণ সদস্যের দেশ নয়।

সেইসময় আফগানিস্তানকেও পূর্ণ সদস্যের মর্যাদা দেয়নি আইসিসি। পরবর্তীতে হংকংয়ের কাছে দুই উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। হেরেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭৩ রান), ভারত (আট উইকেট), পাকিস্তান (৫০ রান) এবং অস্ট্রেলিয়ার (সাত উইকেটে) বিরুদ্ধে।

২০১৬ সালের বিশ্বকাপ: ২০১৬ সালের বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছিল। নেদারল্যান্ডস (আট রানে জয়) এবং ওমানকে (ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে ৫৪ রানে জয়) হারিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু কোনও দলই আইসিসির পূর্ণ সদস্য ছিল না। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছিল।

ভারতের বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচে এক রানে হেরে গিয়েছিল। তাছাড়া পাকিস্তান (৫৫ রান), অস্ট্রেলিয়া (তিন উইকেট) এবং নিউজিল্যান্ডের (৭৫ রান) বিরুদ্ধে হেরেছিল বাংলাদেশ।

২০২১ সালের বিশ্বকাপ: স্কটল্যান্ডের কাছে ছয় উইকেটে হার দিয়ে বিশ্বকাপের অভিযান শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ। ওমানকে ২৬ রানে এবং পাপুয়া নিউ গিনিকে ৮৪ রানে হারিয়েছিল। দুই দলই আইসিসির পূর্ণ সদস্য নয়।

তারপর মুখ থুবড়ে পড়েছিল। শ্রীলঙ্কা (পাঁচ উইকেটে হার), ইংল্যান্ড (আট উইকেটে হার), দক্ষিণ আফ্রিকা (ছয় উইকেটে হার) এবং অস্ট্রেলিয়ার (আট উইকেটে হার) বিরুদ্ধে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

Check Also

গ্রুপপর্বেই শেষ বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের দৌড়, ক্রোয়েশিয়ার উত্তরণ

রেফারির শেষ বাঁশি। আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়ামে বসে পড়লেন লুকাকু-ডি ব্রুইনারা। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.