Home / সর্বশেষ / ডান হাতে বল রেখে বাঁ হাতে স্টাম্প ভেঙে বিরল ঘটনার জন্ম দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

ডান হাতে বল রেখে বাঁ হাতে স্টাম্প ভেঙে বিরল ঘটনার জন্ম দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

মিরাজের ভুলে বেঁচে গেলেন সিকান্দার রাজা। জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ২৬তম ওভারের ঘটনা। মিরাজ বল করছিলেন সিকান্দার রাজাকে। অনসাইডে ক্যাচ উঠলেও ধরতে পারেননি শরীফুল।

ফিল্ডারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন রাজা, ততক্ষণে নন-স্ট্রাইক প্রান্ত থেকে ক্রিজের অনেকটাই পেরিয়ে গেছেন চাকাভা! শেষ পর্যন্ত সিঙ্গেলের জন্য দৌড় দেন রাজা। তিনি ননস্ট্রাইকে পৌঁছার আগেই মিরাজের কাছে বল চলে আসে।

মিরাজ ডান হাতে বল লুফে নিয়ে বামহাতে স্টাম্প ভেঙে দেন! রাজা তখনও ক্রিজে পৌঁছতে পারেননি। বেশ কিছুটা সময় রিপ্লে দেখে ৪৩* রানে অপরাজিত রাজাকে নট-আউট ঘোষণা করেন তৃতীয় আম্পায়ার।

এই ভুলের মূল্য কীভাবে চোকাতে হয় কে জানে। রান তাড়ায় নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলেই প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। এক বছর পর দলে ফেরা পেসার হাসান মাহমুদের বলে মুশফিকের তালুবন্দি হন তাকুদজোয়ানাশে কাইতানো (০)।

দ্বিতীয় ওভারে মিরাজকে দিয়ে শুরু হয় স্পিন আক্রমণ। ফিরতি ওভারে এসেই হাসান মাহমুদ তুলে নেন প্রথম ম্যাচের অন্যতম নায়ক সেঞ্চুরিয়ান ইনোসেন্ট কাইয়াকে (৭)। স্বাতিকদের তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটান মেহেদি মিরাজ।

তার বলে ওয়েসলি মাধভেরে (২) লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়লে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। উইকেটে আসেন সিকান্দার রাজা। ইনিংসের ১৫তম ওভারের বোলিংয়ে এসেই শিকার ধরেন তাইজুল। ফেরান ৪২ বলে ২৫ রান করা মারুমানিকে।

জিম্বাবুয়ের চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে ৪৯ রানে। এমতাবস্থায় অধিনায়ক রেজিস চাকাভাকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান সিকান্দার রাজা। হাত খুলে মারতেও শুরু করেন। ২৪.৩ ওভারে একশ ছাড়ায় জিম্বাবুয়ের স্কোর।

ব্যক্তিগত ৪৩ রানে তাকে রানআউটের দারুণ সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু হাতে বল পেয়েও অন্য হাত দিয়ে স্টাম্প ভেঙে দেন মেহেদি মিরাজ! এর আগে হারারে স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে আজ রবিবার অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ২৯০ রান তোলে বাংলদেশ।

তামিম ইকবাল আর এনামুল হক বিজয় গড়েন ৭১ রানের ওপেনিং জুটি। ৪৫ বলে ১০ চার ১ ছক্কায় ৫০ করে তামিম আউট হলে জুটি ভাঙে। স্কোরবোর্ডে ৬ রান যোগ হতেই রান-আউট হয়ে যান ২৫ বলে ২০ রান করা বিজয়। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত (৩৮) আর মুশফিকুর রহিম (২৫) গড়েন ৫০ রানের জুটি। দুজনেই শিকার হন ওয়েসলি মাধভেরের।

১৪৮ রানে চার টপ অর্ডারকে হারানোর পর অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে যোগ দেন তরুণ আফিফ হোসেন। দ্রুতই জমে ওঠে তাদের জুটি। ধীরগতির মাহমুদউল্লাহর বিপরীতে আগ্রাসী ব্যাটিং করছিলেন আফিফ।

৮১ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি ভাঙে সিকান্দার রাজার বলে ৪১ বলে ৪১ করা আফিফের বিদায়ে। এরপরেই ৬৯ বলে তিন চারে ক্যারিয়ারের ২৬তম ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ পর্যন্ত তিনি ৮৪ বলে ৩ চার ৩ ছক্কায় ৮০* রানে অপরাজিত থাকেন। ৫৬ রানে ৩ উইকেট নেন সিকান্দার রাজা। ওয়েসলি মাধভেরে নিয়েছেন ২টি।

Check Also

লিটন কিংবা সোহান নয়, বাংলাদেশ দলের জন্য স্মার্ট অধিনায়ক খুঁজে পেল বিসিবি

সীমিত ওভারের ফরম্যাটে বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য ব্যাটসন্যানের নাম বললে সেখানে আফিফ হোসেনের নাম থাকবেই। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.