



এমনিতেই স্কোরকার্ডে রান কম। এমন ম্যাচে প্রতিটি সুযোগই কাজে লাগানো ভীষণ জরুরি। অথচ হাফ চান্স তো দূর, বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারছে না ফুল চান্সও।




অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টাও কেটেছে হতাশার। সুযোগ আসলেও সেটিকে কাজে লাগাতে পারেনি টাইগাররা।




এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান। দিনের শুরুটা মোস্তাফিজুর রহমান ও এবাদত হোসেনকে দিয়ে করান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।




শুরুটা মন্দ করেননি তারা। বিশেষত এবাদত হোসেন প্রায়ই বিপদে ফেলছিলেন ব্যাটারদের। এক পর্যায়ে মিলেছিল সুযোগও। ইনিংসের ৫৩তম ওভারের শুরু থেকেই দুর্দান্ত বল করেছেন এবাদত।




শেষ বলটি গুড লেন্থে ফেলে রেখেছিলেন স্টাম্পে। ব্যাটেও লেগেছিল এনক্রুমাহ বোনারের। কিন্তু সেভাবে আবেদনই করেননি বাংলাদেশের ফিল্ডাররা।




পরে টিভি রিপ্লেতে দেখে নিশ্চয়ই হতাশাটা বেড়েছে। এরপরও সুযোগ মিলেছিল আরও একটি। সৈয়দ খালেদ আহমেদের বলে আবারও জীবন পান বোনার।




খালেদের ওভারে তার ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটের পেছনে গিয়েছিল বল; কিন্তু প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত বা উইকেটের




পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নুরুল হাসান সোহান কেউই নড়েননি। ক্যাচটি অবশ্য ছিল শান্তর। এরপরই ফিফটি তুলে নিয়েছেন ক্যারিবীয়ান অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট।