



প্রায় দেড় বছর পর সাদাপোশাকের দলে ফিরেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাকে রেখেই টেস্ট দল দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ইচ্ছা-অনিচ্ছার দোলাচলের মধ্যে টেস্টের জন্য তাকে এক প্রকার বাধ্য করেছে বোর্ড।




টেস্ট খেলতে চান না বলে গত এপ্রিলে দেওয়া মোস্তাফিজের বক্তব্য থেকে আলোচনার শুরু। এরপর থেকে কোনো না কোনোভাবে আলোচনার তুঙ্গে ছিল বিষয়টি।




কথা বলেছেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট, পরিচালক হতে শুরু করে কোচরাও। সব জল্পনা-কল্পনার ইতি ঘটেছে টেস্ট স্কোয়াডে মোস্তাফিজের থাকার মাধ্যমে।




সেই মোস্তাফিজকে এবার দেখা গেল মিরপুরে। প্রায় আড়াই মাস পর মোস্তাফিজের পা পড়েছে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেড়িয়ামে।




রোববার (৫ জুন) সকালে তিনি বিসিবি কার্যালয়ে আসেন। উইন্ডিজ সফরের অফিসিয়াল কাজ-কর্ম সারতেই আসেন বাঁহাতি এই পেসার। এদিন কোনো অনুশীলন করেননি মোস্তাফিজ।




দেখা করেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর সঙ্গে। মোস্তাফিজ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক শোনালেন ইতিবাচক কথা, ‘ও (মোস্তাফিজ) ভালো আছে।




সবকিছু ঠিকঠাক। কোনো চাপ দেখছি না আমি। টেস্টের জন্য প্রস্তুত। টেস্ট খেলা না খেলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি। সবকিছু পজিটিভ।’
আইপিএল খেলে গত ২৩ মে ঢাকায় আসেন মোস্তাফিজ।




দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর আইপিএল; টানা খেলার ধকল কাটিয়ে উঠতে এ কয়দিন তিনি ছিলেন ছুটিতে। ৮ জুন তার ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা রয়েছে।




২০১৫ সালে টেস্টে অভিষেক হলেও মোস্তাফিজ খেলেছেন মাত্র ১৪টি টেস্ট। সবশেষ খেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে।




এবার লাল বলের চুক্তিতেও নেই এই পেসার। বিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি ক্রিকেটের এই অভিজাত সংস্করণে খেলতে চান না। কিন্তু তাসকিন-শরিফুলরা ইনজুরিতে পড়ায় মোস্তাফিজের বিষয়টি সামনে আসে জোরালোভাবে।
এ দুজন না থাকায় মোস্তাফিজের খেলার সম্ভাবনা বেশি। মোস্তাফিজ যতই প্রস্তুত হন না কেন, নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে টেস্টে তিনি কতোটা ভালো করতে পারবেন সময় বলে দেবে।