Home / সর্বশেষ / মুস্তাফিজের নিজের দেশের হয়ে টেস্ট খেলা নিয়ে বোলিং কোচ কড়া মন্তব্য

মুস্তাফিজের নিজের দেশের হয়ে টেস্ট খেলা নিয়ে বোলিং কোচ কড়া মন্তব্য

বাংলাদেশ দলের মোস্তাফিজুর রহমান ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে নিঃসন্দেহে সেরা বোলার। নিজের দলে অভিষেকের পর থেকেই নিজেকে সেরা প্রমাণ করে যাচ্ছেন এই বাঁহাতি পেসার।

সংক্ষিপ্ত দুই ফরম্যাটে নিজেকে যতটা মেলে ধরেছেন, ততোটা পারেননি টেস্ট ক্রিকেটে এই পেসার। ২০১৫ সালে টেস্ট অভিষেক হওয়া মোস্তাফিজ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে খেলেছেন শেষ টেস্ট।

১৪ ম্যাচে ৩.২৮ ইকনোমিতে নিয়েছেন ৩০টি উইকেট। এই ফরম্যাটে অনেকটা অনিয়মিত মোস্তাফিজ তাই নিজে থেকেই না করে দিয়েছেন বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির তিন ফরম্যাটে না রাখতে।

বর্তমানে মোস্তাফিজ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে। এরই মধ্যে ঘরের মাঠে শুরু হতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।

সিরিজ শুরুর আগে বেশ কথা ওঠে মোস্তাফিজের টেস্ট ফরম্যাটে অনীহা নিয়ে। খোদ বোর্ড প্রধানও কথা বলেন মোস্তাফিজের টেস্ট খেলা নিয়ে।

তবে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ডের চোখে বিষয়টি মোস্তাফিজের একেবারেই ব্যক্তিগত পছন্দের। ডোনাল্ড মনে করছেন, এসব বিষয় খেলোয়াড়দের পছন্দের ওপর ছেড়ে দেয়া উচিত।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড বলেছেন, ‘মোস্তাফিজের টেস্ট খেলার বিষয়টি সম্পর্কে বলা কঠিন। তারা একটি পথ বেছে নিতেই পারে।

ইংল্যান্ডের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট বলেছিলেন, ক্রিকেটাররা একসময় ১২ মাস খেলার জন্য প্রস্তুত ছিল, এখন সেটা কমে ৯ মাস। মোস্তাফিজের ব্যাপারটাও ব্যক্তিগত পছন্দ। আমরা এটা নিয়ে বোধহয় তার সাথে কথা বলতে পারি। এটা পুরোপুরি ব্যক্তিগত ব্যাপার।’

টেস্ট ফরম্যাটকে সবাই স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারে না। পাঁচ দিনের খেলা বলেও এমনটা হয়। ক্যারিবীয়ান অল-রাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের উদাহরণ টেনে ডোনাল্ড বলেছেন,

‘২০০৯ সালে যখন প্রথমবার আন্দ্রে রাসেলকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলতে দেখলাম,আমি মনে করেছিলাম সে পৃথিবীর সেরা খেলোয়াড়।

১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতো, ১১০ মিটার ছক্কা হাঁকাতো। তবে তার শরীর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ছিল না। তাই সে সীমিত ওভারকেই বেছে নিয়েছে।

এটা যার যার ব্যক্তিগত পছন্দ। আমি মনে করি এটা মোস্তাফিজেরও ব্যক্তিগত পছন্দ।’ ডোনাল্ড মনে করছেন ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড়ের ব্যপারটাও ভাববার প্রয়োজন রয়েছে।

‘আমি মোস্তাফিজের অনেক বড় ভক্ত। আমি মনে করি সাদা বলে সে দারুণ এক বোলার। আমি রোমাঞ্চিত হওয়ার একটা কারণ হলো, এখনকার ছেলেরা সঠিক প্রশ্নটা করে,

তারা শিখতে চায়। সাদা বলের কথায় যদি আসি, সামনে বিশ্বকাপ আছে, তাই আমাদের আবার একটু লাগাম টানতে হবে। ওয়ার্কলোড নিয়ে আমি চিন্তিত নই। ছেলেরা ভালোই তো করছে।’

Check Also

গ্রুপপর্বেই শেষ বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের দৌড়, ক্রোয়েশিয়ার উত্তরণ

রেফারির শেষ বাঁশি। আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়ামে বসে পড়লেন লুকাকু-ডি ব্রুইনারা। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.